| |

হুমায়ূন আহমেদের জীবনাবসানের এই দিনে

কেশব করঃ হুমায়ূন আহমেদের ‘নন্দিত নরকে’ যখন পড়ি , আমার মতো হয়তো অনেকে ভাবেনওনি এই মানুষটিই ক্রমে এতোটা খ্যাতিমান হয়ে উঠবেন। সাহিত্যের নেশা তাঁকে অধ্যাপনা ছাড়তে বাধ্য করেছিল। বাংলাদেশের নাটকে তিনি সম্পূর্ণ এক ভিন্নতা নিয়ে এলেন। বৈচিত্র নিয়ে এলেন। গানে কবিতায় লোকগাঁথা সংগ্রহে তিনি দেখিয়েছেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের ঔজ্জল্য। চলচ্চিত্রেও দেখালেন তাঁর অসাধারণ নৈপূণ্য। বহু গুণের অধিকারি এই মানুষটি আজকের এই দিনে তাঁর প্রাণের চেয়ে প্রিয় নূহাশ পল্লী ছেড়ে, দূরের কাছের সবাইকে কাঁদিয়ে , প্রিয় বাংলাদেশের সকল মায়া মমতাকে চির বিদায় জানিয়ে অজানায় মিলিয়ে গেলেন। কোথা দিয়ে যে তাঁর প্রয়াণের চার বছর চলে গেলো। স্মৃতিকথায় আজ শুধু তাঁকে খুঁজে বেড়ানো । আমেরিকায় যখন তার চিকিৎসা চলছিল । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখতে গেলেন । কি খুশিই না হয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন এ হচ্ছে ভালবাসা। জননেত্রী বাংলার জনগণের অজস্র ভালবাসাই বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন । একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন কারো কাছে যান তখন লক্ষ কোটি মানুষের ভালবাসা নিয়েই যান। সেটি হুমায়ূন আহমেদ পেয়েছিলেন । আমাদের সকলের প্রিয় ”হুমায়ূন স্যার” আজ নেই সত্যি কিন্তু তাঁর অসংখ্য সৃষ্টিতে আমরা তাঁকে প্রতিদিন পাই। তাই প্রতিদিন হুমায়ূন । প্রতিদিন নূহাশ পল্লী । প্র্তিদিন বাংলাদেশ ! এই হলো হুমায়ূন আহমেদের প্রতি আমাদের সকলের কথা। সকলের অনুভূতি।