| |

বাংলা সাহিত্যের সর্ববৃহৎ ছড়া

দৈনিক শাশ্বত বাংলাঃ বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী ও বৈচিত্র্যময় শাখাগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য একটি শাখা হচ্ছে ছড়া। ছড়াসাহিত্যের ইতিহাস সুপ্রাচীন। বাংলা ছড়ার সুদীর্ঘ ইতিহাসের পথ ধরেই বাংলাদেশের ছড়াসাহিত্যের আত্মপ্রকাশ ও বিকাশ। বর্তমানে বাংলা সাহিত্যের ধারায় ছড়াসাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পশাখা হিসেবে স্বীকৃত। অতীতে ছড়া রচিত ও বিকশিত হয়েছে মানুষের মুখে মুখে- কালের গ্রাস থেকে এগুলো রক্ষিত হয়েছে মানুষের স্মৃতিকোঠায়। প্রাচীন ও মধ্যযুগের লোকসাহিত্য হিসেবে আদিছড়ার বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সে-কালের ছড়া ছিল কেবলই শিশু-মনোরঞ্জনের বিষয়। ফলে সাহিত্যের শাখা হিসেবে ছড়া তখন সে-অর্থে স্বীকৃতি পায়নি। তবে বর্তমানে ছড়া বাংলা সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করছে।

সম্প্রতি দেশের একজন গুণি লেখক গোলাম রব্বানী রতন এর সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতায় জানা যায়, তাঁর লেখা ‘শেষ নবি’ বাংলা সাহিত্যের সর্ববৃহৎ ছড়া সম্পর্কে । গতিধারা’র মার্জিত প্রকাশক, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও প্রচ্ছদশিল্পী সিকদার আবুল বাশার তার সমৃদ্ধ প্রকাশনায় অত্যান্ত যত্ন সহকারে ‘শেষ নবি’ গ্রন্থটি প্রকাশ করেছেন। এই গ্রন্থটি লেখকের দুই বছর গবেষণার ফসল। একশত চল্লিশটি টীকা সংবলিত এক হাজার নয় শত চব্বিশ লাইনের ‘শেষনবি’ ছড়ার মূল বৈশিষ্ট্য হলো, আগ্রহচিত্তে অনেক কম সময়ে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুবিশাল জীবনী অনায়েশে আয়ত্তে আনা। বইটি ছোট-বড় সকল পাঠকদের সমান উপযোগী।

লেখকের সাথে আলাপচারিতার পুরোটা সময়ই ছিল ছন্দময়। চলুন জেন নেয়া যাক এই লেখকের সংক্ষিত জীবনী: গোলাম রব্বানী রতন ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলাধীন ভূঞাপুর থানার পুংলীপাড়া গ্রামে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আবু তালেব মিঞা। মাতা রাজিয়া বেগম নাহার। গোলাম রব্বানী রতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি উপাধ্যক্ষ হিসেবে লোকমান ফকির মহিলা কলেজ, ভূঞাপুরে কর্মরত আছেন।

তার প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো, একটি ছড়া একটি দেশ (ছড়া), টুঙ্গীপাড়ার ছেলে (ছড়া), নেই (ছড়া), ভালোমানুষের দল(উপন্যাস), ভূঞাপুরের ভালোমানুষ(জীবনী)।