| |

গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করলেন এমপি নাজিম উদ্দিন

গৌরীপুর প্রতিনিধি

রেলওয়ের ট্রেন যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন আহামেদ এমপি মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি ট্রেনযাত্রী, স্টেশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথাবার্তা বলে স্টেশনের বিভিন্ন সংকট ও সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে নাজিম উদ্দিন আহামেদ এমপি সাংবাদিকদের বলেন গৌরীপুর জংশন একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্টেশন। সারাদেশের সাথে গৌরীপুর তথা বৃহত্তর ময়মনসিংহ, রাজধানী ঢাকা, সিলেট, চট্রগ্রাম, সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই স্টেশনটির গুরুত্ব অপরিসীম। ট্রেনের টিকেট বিক্রি ও মালামাল বুকিংয়ের মাধ্যমে এ স্টেশনের মাধ্যমে প্রতিবছর সরকারের আয় হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। কিন্তু দুঃখের বিষয় পাশ্ববর্তী অন্যান্য রেল স্টেশনগুলো আধুনিকায়ন করা হলেও অজ্ঞাত কারনে গৌরীপুর স্টেশনটিতে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। অতি সম্প্রতি জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বক্তব্যে তিনি গৌরীপুর স্টেশন আধুনিকায়ন ও জনবল সংকট নিরসনে রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এমপি বলেন এ স্টেশনটিকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে তিনি জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গৌরীপুর স্টেশন মাস্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ স্টেশন দিয়ে ঢাকা, চট্রগ্রাম, ভৈরব, জারিয়া ও মোহনগঞ্জ রেলপথে প্রতিদিন মোট ২৮ টি আপ ও ডাউন ট্রেন চলাচল করে। তার মধ্যে ৩ টি আন্তঃনগর এক্্রপ্রেস, ২ টি মেইল, ২ টি কমিউটার ও ২১ টি লোকাল ট্রেন। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ট্রেন যাত্রী এ স্টেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করে থাকে। ট্রেনের টিকিট বিক্রি ও বিভিন্ন মালামাল বুকিং করে উক্ত স্টেশনে মাধ্যমে সরকারের প্রতি মাসে আয় হয় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি গৌরীপুর জংশন দ্রুত আধুনিকায়ন করা হোক।